• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন

সিকিমে সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩টি ভূমিকম্প, আতঙ্ক বাংলাদেশেও

দ্য ইকোনোমিপোস্ট রিপোর্ট
আপডেট: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

গেল রাতে সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে মোট ১৩ বার ভূমিকম্পে কেঁপেছে ভারতের সিকিম। এই কম্পন অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশেও।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য বলছে, রাত দেড়টা নাগাদ (ভারতীয় সময়) সিকিমের গেলসিং এলাকায় প্রধান ভূমিকম্পটি হয়। রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৪.৫। কম্পনের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।

এই মূল কম্পনের পর শুরু হয় একের পর এক আফটারশক। মঙ্গন এলাকায় ৭টি এবং নামচিতে ৪টি ছোট কম্পন ধরা পড়ে। গ্যাংটকেও ৩.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।

পরপর এই কম্পনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বহু পর্যটক মাঝরাতে হোটেল ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও ঘর থেকে বেরিয়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই তাদের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুরে আতঙ্কে ঘুম ভাঙে মানুষের
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে হঠাৎ করে কম্পন অনুভূত হলে দুই জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘুম থেকে জেগে ওঠেন, কেউ কেউ নিরাপত্তার জন্য ঘর থেকে বাইরে বের হয়ে আসেন।

ঠাকুরগাঁও শহরের গোয়াল পাড়া এলাকার স্থানীয় সাগর, সুমন ও নিরব ঢাকা পোস্টকে জানান, কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র কেঁপে ওঠে। ভূমিকম্পের স্থায়ীত্ব ছিল অল্প সময়ের, ফলে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল ও বালিয়াডাঙ্গীসহভজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার কথা জানা গেছে। একইভাবে পার্শ্ববর্তী জেলা দিনাজপুরের কয়েকটি এলাকাতেও কম্পন টের পাওয়ার কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেয় নেটিজেনরা। তবে কোথাও কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০