পৃথিবীর প্রাণিজগতের দিকে গভীরভাবে তাকালে এক অদ্ভুত সত্য আমাদের সামনে উন্মোচিত হয়—মানুষ বুদ্ধিমান, বিবেকবান, স্বপ্নদ্রষ্টা; অথচ নিজের অস্তিত্বের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ কত সামান্য! মহান আল্লাহ মানুষকে দিয়েছেন চিন্তা করার ক্ষমতা,
“অপকর্মের বিচার হোক, সংস্কৃতির নয়/ অপরাধকে ঘৃণা করুন, সংগীতকে নয়” একটি সভ্য সমাজের পরিচয় কেবল তার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি কিংবা রাজনৈতিক শক্তিতে নয়; বরং তার চিন্তার স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক সহনশীলতা এবং ভিন্নমতকে
রাজধানী ঢাকার বুকে মাতুয়াইল একটি বিশাল জনবসতিপূর্ণ এলাকা। প্রতিনিয়ত এখানে গড়ে উঠছে সুউচ্চ অট্টালিকা, বাড়ছে জনসংখ্যা, সম্প্রসারিত হচ্ছে নগরায়ণ। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এই বিশাল জনপদে শিশু-কিশোর, তরুণ সমাজ ও
বাংলাদেশের অর্থনীতির দুটি বড় শক্তি তৈরি পোশাকশিল্প ও প্রবাসী আয়। একটি আন্তর্জাতিক বাজারে শ্রম ও উৎপাদনশীলতার বিনিময়ে রপ্তানি আয় এনে দেয়, অন্যটি প্রবাসে কর্মরত মানুষের শ্রমের ফসল হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রার
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর সামনে এলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—অভিযোগের বিচার, অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার এবং ন্যায়বিচারের যথাযথ প্রক্রিয়া কি নিশ্চিত করা হয়েছিল? যদি অভিযোগ ও বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে
পৃথিবীতে খাবারের অভাব নেই, অথচ খাবারের অভাবে মানুষ মারা যাচ্ছে। একদিকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খাবার ডাস্টবিনে ফেলা হচ্ছে, অন্যদিকে সুদান, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান ও ফিলিস্তিনের গাজায় লাখো মানুষ দিন কাটাচ্ছে
উত্তর ইউরোপের দেশ সূমি, বর্তমান ফিনল্যান্ডের কথা বললেই মনে পড়ে বরফ, তীব্র ঠান্ডা, হাড়কাঁপানো শীত আর নীরব প্রকৃতির কথা। কিন্তু এই বরফের দেশেও এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে রয়েছে ইসলামের
শেরশাহ সুরি পাঁচ বছরের শাসনকালে যে সড়ক গড়ে তুলেছিলেন, ইতিহাসে তা গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড নামে বিখ্যাত। সোনারগাঁও থেকে পেশোয়ার পর্যন্ত বিস্তৃত সেই পথের ধারে ধারে বসেছিল সরাইখানা, কূপ ও ছায়াঘেরা