ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৬০০টি প্রতিষ্ঠানকে অডিটের জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
বৃহস্পতিবার এনবিআরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ই-ভ্যাট সিস্টেমে সংযোজিত “ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মডিউল” সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ নির্বাচন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। এই মডিউলের আওতায় নির্ধারিত ২০টি ঝুঁকি সূচকের (রিস্ক ক্রাইটেরিয়া) ভিত্তিতে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী নির্ধারিত ওয়েটেজ প্রয়োগ করে কোনো ধরনের মানবীয় হস্তক্ষেপ ছাড়াই প্রতিষ্ঠানগুলো অডিটের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে করদাতা ও সুশীল সমাজের প্রত্যাশিত একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ অডিট প্রক্রিয়া বাস্তবে রূপ পেয়েছে।
প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৬০০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪০৫টি উৎপাদনকারী, ৯৮টি সেবাপ্রদানকারী, ৬৫টি খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা এবং ৩২টি আমদানিকারক/রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
এনবিআর জানায়, নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর অডিট কার্যক্রম শেষে প্রত্যাশিত ফলাফল না পাওয়া গেলে ঝুঁকি নির্ধারণের মানদণ্ড ও ওয়েটেজ পুনর্বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।
সংস্থাটি আশা প্রকাশ করেছে, এই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে ভ্যাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি করদাতা বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।