ঢাকা, ২০ জুলাই: গণপরিবহন ও পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর কার্যকর বাস্তবায়ন এবং ধূমপানমুক্ত পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা।
সোমবার রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে বিআরটিএর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলা হয়। সভাটি ডেভেলপমেন্ট অ্যাকটিভিটিস অব সোসাইটি (ডাস্) ও বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের (বাটা) সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
বিআরটিএর চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিআরটিএ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল (এনটিসিসি), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার সরকারি লক্ষ্য অর্জনে গণপরিবহন খাতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন জরুরি। এতে যাত্রী, চালক, সহকারীসহ সাধারণ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা পাবেন।
সভায় ধূমপানমুক্ত পরিবহন ম্যানুয়াল প্রণয়ন, বিআরটিএ সেবা অ্যাপে তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয় অন্তর্ভুক্তি, গণপরিবহনে ধূমপানমুক্ত সাইনেজ স্থাপন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেডিকেল সার্টিফিকেট (ফরম-২) হালনাগাদ, বিআরটিএর ওয়েবসাইট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সচেতনতামূলক বার্তা সংযোজন এবং ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া বিআরটিএর নেতৃত্বে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ, বাস মালিকদের আইন বাস্তবায়নে নির্দেশনা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর দায়িত্ব ও সময়সূচি নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় ডাস্-এর পক্ষ থেকে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি গণপরিবহনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন খাতের সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।