• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন

রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন দাখিল পেছাল ৯৭ বার

দ্য ইকোনোমিপোস্ট রিপোর্ট
আপডেট: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৯৭ বারের মতো পিছিয়েছে। তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। পরে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকুনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যেভাবে চুরি হয় রিজার্ভের অর্থ

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জালিয়াতির মাধ্যমে সুইফট কোড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। পরে চুরি হওয়া অর্থের একটি বড় অংশ ফিলিপাইনে স্থানান্তর করা হয়।

তৎকালীন সময়ে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করেছিলেন, দেশের অভ্যন্তরের একটি চক্রের সহায়তায় এই অর্থ পাচার করা হয়েছে।

ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের তৎকালীন যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা ওই মামলায় তখন সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি।

মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। তবে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত চললেও একের পর এক সময় নিয়েও সংস্থাটি এখনো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি।

ফিলিপাইনে উদ্ধার হয় দেড় কোটি ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের একটি বড় অংশ ফিলিপাইনের স্থানীয় মুদ্রা পেসোতে রূপান্তর করে তিনটি ক্যাসিনোতে পাঠানো হয়।

এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে প্রায় দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে ফিলিপাইন সরকার। পরে উদ্ধার করা অর্থ বাংলাদেশ সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে বাকি প্রায় ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের কোনো হদিস এখনো পাওয়া যায়নি।

নিউইয়র্কে মামলা বাংলাদেশ ব্যাংকের

রিজার্ভ চুরির তিন বছর পর ২০১৯ সালে চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে নিউইয়র্কের ম্যানহাটন সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মামলাটি খারিজের আবেদন করে ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি)। পরে ২০২২ সালের এপ্রিলে নিউইয়র্কের আদালত আরসিবিসির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের মামলাটি খারিজ করে দেন।

রায়ে বলা হয়, মামলাটি বিচারের জন্য ওই আদালতের পর্যাপ্ত এখতিয়ার নেই। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংক নিউইয়র্কের এখতিয়ারভুক্ত অন্য আদালতে মামলা করেছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১