• শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে রপ্তানি বন্ধ, সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ

দ্য ইকোনোমিপোস্ট রিপোর্ট
আপডেট: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশে রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ। ভারতের পেঁয়াজের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হলো বাংলাদেশ। তবে এই মুহূর্তে বাংলাদেশে ভারতীয় পেঁয়াজ রপ্তানি না হওয়ার ফলে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, দু’মাস আগেও বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি স্বাভাবিক ছিল। সেসময় পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার মাহদিপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক পেঁয়াজ যেতো বাংলাদেশে। সেই আশায় মালদহ জেলার মাহদিপুর ব্যবসায়ীরা প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ মজুত করেছিলেন। আরও ১০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ মজুত করেছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলির ব্যবসায়ীরা।

কিন্তু এখন বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি না হওয়ায় বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছেন এসব ব্যবসায়ী। বাড়তি ক্ষতি এড়াতে অনেকটা পানির দরেই এসব পেঁয়াজ বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

মালদহ জেলার মাহদিপুর সীমান্তের ব্যবসায়ী মোহম্মদ রুবেল হোসেন জানান, বাংলাদেশ থেকে পেঁয়াজ রপ্তানির বরাত পেয়েই আমরা মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে পেঁয়াজ নিয়ে আসি। কিন্তু বন্দরে আসার পরেই হঠাৎ জানতে পারি, বাংলাদেশে আর পেঁয়াজ রপ্তানি করা যাবে না। ফলে পচে যাওয়া ভয়ে সেই পেঁয়াজ পানির দরে বিক্রি করে দিতে হচ্ছে।

যদিও উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঘোজাডাঙ্গা এবং পেট্রাপোল স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা সেভাবে পেঁয়াজ মজুত করেনি। ফলে তারা কিছুটা রেহাই পেয়েছেন।

পেট্রাপোল স্থলবন্দরের ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জাগো নিউজকে জানান, এই মুহূর্তে পেট্রাপোল এবং ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দরে পেঁয়াজভর্তি ট্রাক দাঁড়ানো নেই।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতে তুলনামূলক ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩০ রুপিতে।

কলকাতার এক পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা দ্বীপ বর্মন জানান, এখানে হয়তো খুচরা পেঁয়াজের দাম একটু বেশি। গোডাউনের পেঁয়াজগুলো বাইরে আসলেই এই দাম আরও কমে যেতে পারে।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১