• রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন

পদোন্নতির দাবি রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের কর্মকর্তাদের

দ্য ইকোনোমিপোস্ট রিপোর্ট
আপডেট: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬

ন্যায্য ও নিয়মিত পদোন্নতির দাবি জানিয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের (সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি কার্যক্রম স্থবির থাকায় কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা ও বৈষম্য তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

কর্মকর্তারা বলেন, গত ১৪ অক্টোবর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি করা একটি স্মারকের নির্দেশনার কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকে নিয়মিত পদোন্নতি কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ওই স্মারকে বলা হয়, সুপার নিউমারারি পদোন্নতি আত্মীকরণ বা সমন্বয় না করা পর্যন্ত কোনো নিয়মিত পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো সুপার নিউমারারি পদোন্নতি সমন্বয় করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে প্রতিবেদন পাঠালেও নিয়মিত পদোন্নতির কোনো অগ্রগতি হয়নি।

তারা বলেন, সুপার নিউমারারি পদোন্নতির সঙ্গে নিয়মিত পদোন্নতির কোনো সাংঘর্ষিক সম্পর্ক বা আইনগত বাধা নেই। দেশের অন্যান্য সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে সুপার নিউমারারি পদোন্নতি চালু থাকলেও নিয়মিত পদোন্নতি বন্ধ রাখা হয় না। অথচ শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ক্ষেত্রে ‘সমন্বয়’-এর অজুহাতে নিয়মিত পদোন্নতি বন্ধ রাখা বৈষম্যমূলক ও অগ্রহণযোগ্য।

কর্মকর্তারা দাবি জানিয়ে বলেন, ২০২৪ সালের পদোন্নতি সংশ্লিষ্ট বছরের শূন্য পদ অনুযায়ী এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ কাট-অফ তারিখ ধরে প্রতিটি ব্যাংকের নিজস্ব পদোন্নতি নীতিমালা অনুযায়ী দিতে হবে। ২০২৫ সালের কোনো নীতিমালা বা নির্দেশনা দিয়ে ২০২৪ সালের পদোন্নতির অধিকার হরণ করা আইনসম্মত নয়। নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের পর সুপার নিউমারারি পদোন্নতি তিন ধাপে আত্মীকরণ বা সমন্বয় করার দাবি জানাচ্ছি।

এ ছাড়া নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের পর ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ কাট-অফ তারিখ ধরে দ্বিতীয় দফা নিয়মিত পদোন্নতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়। প্রতিটি পদোন্নতি কার্যকরের তারিখ ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মানববন্ধনে আরও বলা হয়, ‘রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের কর্মচারীদের পদোন্নতি নীতিমালা–২০২৫’-এর কয়েকটি ধারা কর্মকর্তাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করছে এবং বৈষম্য সৃষ্টি করছে। এ নীতিমালা সংশোধন অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের আদলে একটি ন্যায্য, বাস্তবসম্মত ও বৈষম্যহীন পদোন্নতি নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানাচ্ছি। এই নীতিমালা ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর করার কথা বলা হয় এবং কোনো অবস্থাতেই ব্যাকডেট কার্যকর করা যাবে না।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষে মো. মোতাহের হোসেন বক্তব্য রাখেন। এ ছাড়া অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১