বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীর। তিনি বলেন, আগে এ তহবিলের পরিমাণ ছিল ৭ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে তা কমে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে ডলারের বাজারে সংকট তৈরি হতে পারে। এ কারণে তহবিলের পরিমাণ ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার অনুরোধ করা হয়েছে
দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের লেনদেন স্বাভাবিক রাখতে রিজার্ভ থেকে ঋণ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। এজন্য রফতানি উন্নয়ন তহবিলের আকার বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে তারা।
আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে এক বৈঠকে এফবিসিসিআই নেতারা এ আহ্বান জানান।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীর। তিনি বলেন, আগে এ তহবিলের পরিমাণ ছিল ৭ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে তা কমে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে ডলারের বাজারে সংকট তৈরি হতে পারে। এ কারণে তহবিলের পরিমাণ ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার অনুরোধ করা হয়েছে। গভর্নর ধীরে ধীরে তা বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
রফতানিকারকদের ঋণ সুবিধা দিতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে এ তহবিল গঠন করা হয়। ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তহবিলের আকার ছিল ৩৫০ কোটি বা সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার। করোনার সময় প্রথম দফায় এটি ৫ বিলিয়ন ডলারে বাড়ানো হয়। পরে কয়েক দফায় বাড়িয়ে এক সময় ৭ বিলিয়ন ডলারে নেয়া হয়। বর্তমানে এতে প্রায় ২৩০ কোটি বা ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার রয়েছে।
বৈঠকে সুদহার কমানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের স্বার্থ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়।