• রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন

শীত ও ঘন কুয়াশায় ধানের বীজতলা বিপর্যস্ত, ন্যায্যমূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

দ্য ইকোনোমিপোস্ট রিপোর্ট
আপডেট: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধানের বীজতলাসহ নানা ফসল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন কৃষকেরা। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের পাবনা জেলায় সূর্যের আলো না পাওয়ায় ধানের চারা হলদে হয়ে পচে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা।

পাবনার নয়টি উপজেলায় বর্তমানে বোরো মৌসুমের জন্য ধানের বীজতলা তৈরি করছেন কৃষকেরা। তবে টানা কুয়াশা ও প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে অনেক জায়গায় বীজতলা রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। কৃষকেরা জানান, বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নতুন করে চারা তৈরি করতে হবে, এতে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়। এমন অবস্থায় ধানের ন্যায্যমূল্য না পেলে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

বীজতলা রক্ষায় কৃষি বিভাগ থেকে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ, রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা এবং নিয়মিত পরিচর্যার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে নড়াইল জেলায় চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বোরো ধানের আবাদ শুরু হয়েছে। শীত উপেক্ষা করেই কৃষকেরা মাঠে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সার, বীজ ও শ্রমিকের খরচ বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে। কৃষকদের ভাষ্য, ধানের বাজারদর ভালো না হলে তাদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

নড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান জানান, কৃষকদের কাছে ক্যাশ মেমোর মাধ্যমে সার বিক্রি নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং ন্যায্যমূল্য বজায় রাখতে নিয়মিত বাজার তদারকি করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সঠিক মাত্রায় সার ব্যবহারে কৃষকেরা ভালো ফলন পাবেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ঘন কুয়াশার কারণে কিছু এলাকায় বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যদি ফলন ভালো হয়, তাহলে কৃষকেরা আংশিকভাবে হলেও লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবেন।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০