• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন

শীতেও শসা খাওয়া নিরাপদ, জানুন উপকারী নিয়ম

দ্য ইকোনোমিপোস্ট রিপোর্ট
আপডেট: শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

শসা সাধারণত গরমকালের খাবার হিসেবেই বেশি পরিচিত। তাই শীত মৌসুম এলেই অনেকেই ঠান্ডা লাগা, গ্যাস বা হজমের সমস্যা হওয়ার ভয়ে শসা খাওয়া এড়িয়ে চলেন। তবে বাস্তবতা হলো—শসা পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কখন এবং কীভাবে শসা খাচ্ছেন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক নিয়ম মেনে খেলে শীতকালেও শসা হতে পারে স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার অংশ।

আয়ুর্বেদ মতে, শসার কিছু শীতল বৈশিষ্ট্য থাকলেও সামান্য অভ্যাস বদলালেই শীতকালে এটি শরীরের জন্য ক্ষতির বদলে উপকার বয়ে আনে।

শীতে শসা খাওয়ার উপকারিতা

শরীর রাখে হাইড্রেটেড
শীতকালে তৃষ্ণা কম অনুভূত হওয়ায় অনেকেই পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। এর ফলে ত্বক শুষ্ক হওয়া, ঠোঁট ফাটা কিংবা মুখ শুকিয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। শসায় প্রায় ৯০ শতাংশ জল থাকায় এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে
শীতে পানি কম খাওয়ার কারণে অনেকের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়। শসার জলীয় উপাদান ও ফাইবার একসঙ্গে মল নরম করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
শীতকালে খাবারের পরিমাণ সাধারণত বেড়ে যায়, ফলে ওজন বাড়ার আশঙ্কাও থাকে। খাবারের সঙ্গে শসার সালাদ রাখলে কম ক্যালরিতে পেট ভরা থাকে। এতে অপ্রয়োজনীয় খাওয়ার প্রবণতা কমে।

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, শসা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে খোসাসহ শসা খেলে এর পুষ্টিগুণ আরও ভালোভাবে পাওয়া যায়।

শীতে শসা খাওয়ার সঠিক নিয়ম

শসা স্বভাবতই শীতল এবং হজম হতে সময় নেয়। তাই রাতে শসা খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলায়, বিশেষ করে দুপুরের খাবারের সঙ্গে শসা খাওয়া সবচেয়ে উপযোগী।

শসার সালাদে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়া, ভাজা জিরা গুঁড়া বা কালো লবণ যোগ করলে এর শীতলতা কমে এবং হজম সহজ হয়। এই মশলাগুলো পাচনতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতেও সাহায্য করে।

সঠিক সময় ও সঠিক উপায়ে শসা খেলে শীতকালেও এটি হতে পারে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার একটি নিরাপদ ও উপকারী উপাদান।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০