• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন

রমজানে মাংস–মাছের বাজারে আগুন

দ্য ইকোনোমিপোস্ট রিপোর্ট
আপডেট: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসের তৃতীয় সপ্তাহ চলছে। সামনে ঈদুল ফিতর। এর মধ্যেই রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছ, মাংস ও ব্রয়লার মুরগির দাম আবারও বেড়েছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানমন্ডি ও রায়েরবাজার এলাকার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২২০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকার মধ্যে।

এদিকে সোনালি জাতের মুরগির দামও বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩৫০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল প্রায় ৩২০ টাকা। অন্যদিকে গরুর মাংসের দাম তুলনামূলক স্থির থাকলেও কেজিপ্রতি ৮০০ টাকার নিচে মিলছে না; কোথাও কোথাও বিক্রি হচ্ছে ৮২০ টাকায়।

মাছের বাজারেও দাম বেশ চড়া। প্রতি কেজি পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া দেশি টেংরা ৭০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৭০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকার ও জাতভেদে চিংড়ির দাম সবচেয়ে বেশি, যা কেজিপ্রতি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত।

বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে এসে অনেক ক্রেতাকেই হতাশ হতে দেখা গেছে। রায়েরবাজারে কেনাকাটা করতে আসা শরীফুল ইসলাম বলেন, “ব্রয়লার কিনতে এসে দেখি ২২০ টাকা কেজি। আগে এটা গরিব মানুষের খাবার ছিল, এখন মনে হচ্ছে ধনীদের খাবার হয়ে গেছে। আর একটু টাকা যোগ করলেই তো আধা কেজি গরুর মাংস নেওয়া যায়।”

অন্যদিকে মাছ বিক্রেতারা বলছেন, ঈদ সামনে থাকায় বাজারে কিছুটা চাপ রয়েছে। রায়েরবাজারের মাছ ব্যবসায়ী সৌরভ আহমেদ বলেন, “মাছের দাম খুব বেশি বাড়েনি। বাজারে সাধারণত ২০-৩০ টাকা ওঠানামা করে।”

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতা মাছের দিকে ঝুঁকছেন। আবার কেউ কেউ মুরগির দাম শুনেই দোকান থেকে ফিরে যাচ্ছেন।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০