• রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন

কোকিল ডাকা বসন্তের গল্প

লেখক: মোজাম্মেল হক বাবলু, কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা(সুপারিশপ্রাপ্ত),জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ৪৪তম বিসিএস৷
আপডেট: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি আমার সহধর্মিণী রেজোয়ানা আক্তার। যাঁর আদুরে নাম রেজু ৷ সে একজন চমৎকার ভালো মানুষ। জীবনসঙ্গী হিসাবে তাকে উপহার দেওয়ার জন্য মহান রবের দরবারে কায়মনোবাক্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি৷

দেখতে দেখতে চোখের নিমিষেই আমাদের দাম্পত্য জীবনের ৭ (সাত) বছর চলে গেল! তার সাথে কাটানো সাত বছরের প্রতিটি দিনই ছিলো আমার কাছে কোকিল ডাকা বসন্তের মতো।

আমাদের দাম্পত্য জীবন শুরু করেছিলাম একেবারে রিক্ত হস্তে৷ জীবন ছিলো প্রচন্ড অনিশ্চয়তায় ভরপুর৷ ঐ অনিশ্চয়তার দিনগুলোতে আমার প্রিয়তমার ভালোবাসা ছিলো আমার চলার পথের পাথেয়। আমার প্রিয়তমা আমায় তার সর্বস্ব দিয়েই ভালোবেসেছিলো৷ আমি ছিলাম উড়নচণ্ডী, বেখেয়ালি। কিন্তু, ধীরে ধীরে তার ঘোরলাগানো ভালোবাসা আমায় সংসারি করেছে৷ আমি তার কাছে চির কৃতজ্ঞ৷

আমি তখন মাস্টার্সের ছাত্র; সে অনার্সের৷ আমাদের দীর্ঘদিনের প্রণয়কে দুই পরিবার একেবারে হুট করেই পারিবারিকভাবে বিয়েতে রূপ দেন ৷ এক সন্ধ্যাবেলার সিদ্ধান্তে পুতুল খেলার মতো আমাদের বিয়ে হয়ে যায়৷ বিয়ে নিয়ে পরিবারের নিকট আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই৷

তারপরের জীবন ছিলো: সংগ্রামের, অনিশ্চয়তার। করোনায় আমি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ চলে আসি৷ বিসিএসের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করি৷ আমাদের সংগ্রামের যাত্রা শুরু হয়৷ চারদিকে তখন ঘোর অমানিশা। হঠাৎ আলোর ঝলকানি হিসাবে আমার চাকরি হয়৷ তারপর ঘর আলো করে আমাদের সংসারে আমাদের প্রথম পুত্র সন্তান আব্দুর রহমান আল মাশরিফের আগমন ঘটে ৷ তারপর রেজুর চাকরি হয়। তারপর আমার ছোট ভাই মোফাচ্ছেলের চাকরি হয়৷ তারপর আগমন ঘটে আমার কন্যা সন্তান মাহদিবা হক মেহেরিনের।

একসময়ের শূন্য বাগান ধীরে ধীরে ফুলে-ফলে ভরপুর হয়ে উঠে ৷ আল্লাহর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা।

আমি আমার সহধর্মিণী ছাড়া অস্তিত্বহীন। দাম্পত্য জীবনের সাতটি বছর ভালোবাসার রঙে রঙিন করার জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা।

প্রিয়তমা! ভালোবাসি। খুব ভালোবাসি তোমায়৷

শুভ বিবাহ বার্ষিকী।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১