• রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

এমএসএমই উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে একসাথে কাজ করবে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং UNIDO: চুক্তি স্বাক্ষর

দ্য ইকোনোমিপোস্ট রিপোর্ট
আপডেট: বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫

বাংলাদেশের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য খাত এবং সার্কুলার ইকোনমি-ভিত্তিক স্টার্টআপ ও এমএসএমই উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে একসাথে কাজ করবে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (UNIDO)।

বুধবার (০৯ জুলাই ২০২৫) এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন মো. মুসফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সভায় জানানো হয়, UNIDO-এর ‘Integrated Approach towards Sustainable Plastics Use and Marine Litter Prevention in Bangladesh’ প্রকল্পের লক্ষ্য, প্লাস্টিক ভ্যালু চেইনে উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে উৎসাহিত, পুনর্ব্যবহারযোগ্য খাতকে শক্তিশালী এবং সার্কুলার ইকোনমি-ভিত্তিক স্টার্টআপ ও এমএসএমই উদ্যোক্তাকে সহায়তা প্রদান করা। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় Cleantech Acceleration and Commercialization Program- এর অংশ হিসেবে এসএমই ফাউন্ডেশন ছয় মাসব্যাপী একাধিক কার্যক্রম গ্রহণ করবে, যার মধ্যে রয়েছে- সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম, আবেদন আহবান ও অংশগ্রহণকারীদের নির্বাচন, প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন; প্রোটোটাইপ উন্নয়ন; বিনিয়োগকারী সম্পৃক্ততা, এবং চূড়ান্ত প্রদর্শনী ও পুরস্কার প্রদান। উল্লেখ্য, উক্ত কর্মসূচি বাংলাদেশের সবুজ শিল্পায়ন লক্ষ্যের সঙ্গে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এসডিজি ৯ (শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো) এবং এসডিজি ১২ (দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদন) অর্জনে অবদান রাখে। পাশাপাশি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে লিঙ্গ সমতা এবং যুব সমাজ অন্তর্ভুক্তিকেও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে গত মাসে এসএমই ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এবং UNIDO’র পক্ষে প্রধান কার্যালয়ের প্রকিউরমেন্ট অফিসার Alessandra Bravin চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ০৯ জুলাই ২০২৫ এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে চুক্তি’র কপি হস্তান্তর করেন ড. জাকি উজ জামান, কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ,ইউনিডো বাংলাদেশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম হাসান সাত্তার ও ফারজানা খান, মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন এবং সত্য ভট্টাচার্য, ন্যাশনাল প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর, ইউনিডো বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০% শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা’র প্রাথমিক প্রতিবেদন বলছে, দেশের প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা মোট শিল্প প্রতিষ্ঠানের ৯৯%-এর বেশি। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫% এসএমই খাতে। এই খাতে প্রায় তিন কোটিরও বেশি জনবল কর্মরত আছে। অধিক জনসংখ্যা এবং সীমিত সম্পদের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এসএমই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে এসএমই খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে এসএমই ফাউন্ডেশন সরকারের জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ এসএমই নীতিমালা ২০১৯ এবং এসডিজি ২০৩০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির সুবিধাভোগী প্রায় ২০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, যাদের ৬০%-ই নারী-উদ্যোক্তা।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০