বিশ্ব আজ এক অস্থির সময় অতিক্রম করছে। যুদ্ধ, দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস ও সহিংসতা যেন প্রতিনিয়ত মানবসভ্যতার বুক চিরে রক্তাক্ত ইতিহাস লিখে চলেছে। মধ্যপ্রাচ্যে গাজা উপত্যকা-তে চলমান সংঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, আফ্রিকার বিভিন্ন
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোথায়—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের দৃষ্টি এখন আর শুধু নীতিনির্ধারক বা বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দিকে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং তা ছড়িয়ে পড়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের উদ্যমী তরুণদের মাঝে।
দুবাই সংযুক্ত আরব আমিরাত: প্রিয় পাঠক বৃন্দ, সচেতন নাগরিক এবং নীতিনির্ধারক বৃন্দ। একটি অত্যন্ত যৌক্তিক এবং মানবিক প্রশ্ন নিয়ে আজকের আলোচনা। সাথেই থাকুন। বাংলাদেশে মাজার বা দরগাহগুলোতে যে পরিমাণ দান-সদকা
মানুষ জন্মগতভাবে অনুকরণপ্রিয়। একটি শিশুর বেড়ে ওঠা মূলত তার আশেপাশের মানুষদের দেখে—কখনো বাবা, কখনো মা, আবার কখনো কাছের কোনো আত্মীয়কে অনুসরণ করে। তাই প্রশ্ন হলো—আপনার সন্তান কাকে দেখে বড় হচ্ছে?
এইচ এম মিজানুর রহমান: বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডিগুলোর একটি হলো—ভালো ফলনও কৃষকের জন্য স্বস্তির নিশ্চয়তা নয়। বরং বহু সময় উৎপাদন যত বাড়ে, কৃষকের অনিশ্চয়তাও তত বাড়ে। রাজশাহীর আলুর
বাংলাদেশের রাজনীতিতে একসময় দুইটা বৃহৎ রাজনৈতিক দল ছিল। ০৫ই আগস্ট ২০২৪ সালে হাসিনার পলায়নের পর আওয়ামী লীগের পরাজয়ের মাধ্যমে এখন একটি বড় রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব বিদ্যমান। বাকী রাজনৈতিক দলগুলোর সামগ্রিক